Showing posts with label শিশুর স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label শিশুর স্বাস্থ্য. Show all posts

Monday, June 13, 2016

ফরমালিন মুক্ত ফল চেনার উপায়!

http://secrethealthcarebd.blogspot.com/
কার্বাইড যুক্ত ফল সহজেই চেনা যায় কেননা প্রাকৃতিক ভাবে পাকা ফলের রঙ কিছুটা সবুজ কিছুটা হলুদ হয়ে থাকে কিন্তু কার্বাইড মেশানো ফল আগাগোড়া সম্পূর্ণ হলুদ হয়ে যায় আপনার দেখে মনে হয় আম পেকে টসটস করছে, কিন্তু আসলে তা কার্বাইড যুক্ত 
ফরমালিন যুক্ত ফলে তার প্রাকৃতিক সুবাস থাকে না বদলে ঝাঁঝালো এক প্রকার গন্ধ থাকে ফলের বোটার অংশটি নাকের কাছে ধরুন যদি প্রাকৃতিক গন্ধ না পান বা ঝাঁঝালো গন্ধ নাকে লাগে তাহলে নিশ্চিত রূপেই তাতে ফরমালীন আছে  
প্রাকৃতিক ভাবে পাকানো ফল স্বাদে পুরোটাই মিষ্টি হবে কিন্তু ওষুধে পাকানো বা সংরক্ষণ করা ফলের এক অংশ মিষ্টি, অন্য অংশ টক হবে
স্বাভাবিক ফল পেকে যাওয়ার পর ফ্রিজে রাখা না হলে স্বভাবতই পচে যাওয়া শুরু করবে কিন্তু ফরমালিন যুক্ত ফল ফ্রিজে না রাখলেও পচবে না
লিচুর রঙ কাঁচা অবস্থায় হবে সবুজ, পেকে গেলে ইট রঙের এখন গাছে থাকা অবস্থায় রাসায়নিক দেয়ার কারনে তার রং হয়ে যায় ম্যাজেন্টা এই ধরনের লিচু দেখতে ভালো দেখায়, কিন্তু খেতে নয় আর স্বাস্থ্যের জন্য চরম হানিকারক তো বটেই তাই ম্যাজেন্টা রং এর লিচু কিনবেন না একদম ওষুধ দেয়া লিচুতে স্বাভাবিক স্বাদ বা গন্ধ থাকে না কেমন যেন বিশ্রী ঝাঁজালো ভাব থাকবে, আর রসালো হবে না

চেহারা দেখে ফল কিনবেন না বিশেষ করে আম অনেকেই দাগহীন মোলায়েম চেহারা দেখলেই আম কিনে ফেলেন আমের চেহারা শতভাগ দাগহীন হওয়ার অর্থ যে একে কাঁচা অবস্থায় পাড়া হয়েছে এবং ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়েছে

ফরমালিন যুক্ত ফলে মাছি, মৌমাছি ইত্যাদি পতঙ্গ বসে না মাছি বা পতঙ্গের উপস্থিতির অর্থ ফলটি রাসায়নিক বিহীন

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Saturday, June 11, 2016

মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করুন ঘরোয়া ৪ উপায়ে



https://secrethealthcarebd.blogspot.com/2016/06/blog-post_43.html
ধবধবে সাদা দাঁত দেখতে যেমন ভাল লাগে তেমনি এই দাঁতের যত্নও করতে হয়। দাঁত এবং মাড়ির যেসব সমস্যা সাধারণত হয়ে থাকে, তার মধ্যে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া অন্যতম। সাধারণত দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে অল্প রক্ত পড়ে থাকে।
কিন্তু অনেক মারাত্নক পর্যায়ে চলে গেলে শক্ত খাবার খাওয়ার সময়ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার সাথে সাথে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যার মাধ্যমে সাময়িকভাবে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পরা রোধ করা সম্ভব।
১। লবঙ্গের তেল
লবঙ্গের তেল মাড়ির ইনফ্লামেশন রোধ  করে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। একটুখানি লবঙ্গের তেল নিয়ে মাড়িতে ঘষুন। অথবা এক বা দুটি লবঙ্গ চিবাতে পারেন। এটি আপনার মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে দিবে।
২। অ্যালোভেরা জেল
প্রতিরাতে মাড়িতে অ্যালোভেরা জেল মাসাজ করে লাগান। এইভাবে সারা রাত রেখে দিন। এটি মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করবে।
৩। গ্রিন টি
মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করতে গ্রিণ টি বেশ কার্যকর। গ্রিন টি দিয়ে কিছুক্ষণ কুলকুচি করুন। এটি মাড়ির জীবাণু ধ্বংস করে এবং দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ করে দেয়।
৪। লবণ পানি
কিছু গরম পানি নিন, এর সাথে অল্প কিছু লবণ মিশান। এবার এই লবণ পানি দিয়ে দিনে তিনবার কুলকুচি করুন। খুব সহজ এবং কার্যকরী একটি ঘরোয়া পদ্ধতি এটি।
নিয়মিত কাঁচা সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন। ফল এবং শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল এবং ক্যালোরি থাকে কম। এটা রক্ত চলাচল সচল রেখে মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে দেয়।




Monday, June 6, 2016

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

মুখের দুর্গন্ধ
মুখের দুর্গন্ধ ব্যাপারটি বেশ লজ্জাজনক বিধায় অনেকেই এটা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে থাকেন। দুবার ব্রাশ করা, ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা এবং মাউথওয়াস করেও অনেকের মুখে রয়ে যায় দুর্গন্ধ। মুখের দুর্গন্ধের সব চাইতে বড় কারণ হচ্ছে মুখের ভেতরটা শুকিয়ে যাওয়া এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

কেন মুখে দুর্গন্ধ হয়?
১. প্রতিবার খাবার গ্রহণে মুখের ভেতরে খাদ্য আবরণ দাঁতের ফাঁকে, মাড়ির ভেতর জমে দন্তমল সৃষ্টি হয়। পরে তা থেকে মাড়ির প্রদাহ দেখা দেয়।
২. মুখের যেকোনো ধরনের ঘা বা ক্ষত।
৩. আঁকাবাঁকা দাঁত থাকার কারণে খাদ্যকণা ও জীবাণুর অবস্থান।
৪. মুখের ভেতরে ছত্রাক ও ফাঙ্গাস।
৫. মুখের ক্যানসার।
৬. ডেন্টাল সিস্ট বা টিউমার।
এ ছাড়া দেহের অন্যান্য রোগের কারণেও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে, যেমন: পেপটিক আলসার বা পরিপাকতন্ত্রের রোগ, লিভারের রোগ, গর্ভাবস্থা, কিডনির জটিলতা, বাতজনিত রোগ, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র, উচ্চ রক্তচাপ, গলা বা পাকস্থলীর ক্যানসার, এইডস, হূদেরাগ, মানসিক রোগ, নাক, কান, গলার রোগ ইত্যাদি।

যেগুলি খাবারগুলো নিমেষেই মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে-


পানি : মুখে দুর্গন্ধ হলেই আগে পানি খান। দেখবেন দুর্গন্ধ উধাও হয়ে যাবে। খাওয়ার পর খুব ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন। অল্প অল্প পানি নিয়ে মুখে কুলি করে ফেলে দেবেন। এরপর একগ্লাস পানি খান। 

আপেলআপেল খেলেও মুখের দুর্গন্ধ চলে যায়। আমরা যখন আপেল খাই, তখন মুখের মধ্যে প্রচুর লালা উপন্ন হয়। তাতে ব্যাকটেরিয়া লালার সঙ্গে পরিষ্কার হয়ে যায়। তাতে মুখের মধ্যে তৈরি হওয়া গন্ধ দূর হয়ে যায়।

এলাচএই উপায়টা হয়তো অনেকেরই জানা। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দারুণ সহায়ক। যদি আপনার মুখের দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা থাকে, তাহলে ব্যাগে বা পকেটে কয়েকটি এলাচ রাখতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ হয়েছে বলে মনে হলেই এলাচ দানা মুখে পুরে দিন।

লেবু :   ভিটামিন সি মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধবংস করে দেয়। আর লেবু বা কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। তাই মুখে দুর্গন্ধ অনুভূত হলেই লেবু বা কমলালেবু খেতে পারেন।

গ্রিন টি:  এমনিতেই গ্রিন-টি স্বাস্থ্যে পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রচুর পরিমানে ফ্ল্যাবনয়েড থাকে। এই ফ্ল্যাবনয়েড আসলে মুখের মধ্যেকার ব্যাকটেরিয়াকে বিনাস করে। তাই চটজলদি মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যায়।

চুইংগাম :  নানান ফ্লেভারের চুইংগাম এখন দোকানে পাওয়া যায়। তবে চিনিমুক্ত চুইংগামই মুখের দুর্গন্ধ আটকাতে পারে। চুইংগাম চিবিয়ে নিলে মুখের মধ্যে লালা নিঃসৃত হয়। তাতে মুকের মধ্যেকার উপন্ন ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার হয়ে যায়।

Tuesday, May 31, 2016

শিশুর পেটের কৃমি হওয়ার কারণ ও প্রতিকারের উপায়




শিশুরা বিভিন্ন সময় পেটের ব্যথায় আক্রান্ত হয় খাদ্যে অরুচি, পাতলা পায়খানা, বমি বমি ভাব, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি সমস্যাগুলো প্রায়ই শিশুদের মাঝে দেখা যায় এগুলো কৃমির লক্ষণ

সংক্রমণের কারণ- অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবস্থা, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, দূষিত পানির ব্যবহার, টয়লেট শেষে ভাল ভাবে হাত না ধোয়া, খাবার তৈরি বা গ্রহণের আগে হাত পরিষ্কার না করা, হাতের নখ বড় রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাটা ইত্যাদি

কৃমির প্রকারভেদ স্বাস্থ্য সমস্যা- বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে গোলকৃমি, ফিতা কৃমি গুঁড়া কৃমির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায় কখনো কখনো গোলকৃমি শিশুর নাক-মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসে

এটি শিশুর শ্বাসনালীতেও প্রবেশ করতে পারে ছাড়া এটি শিশুর অন্ত্রে বা পিত্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে ফিতা কৃমি শিশুর অন্ত্রে লেগে থেকে রক্তপাত ঘটায় এতে শিশু ধীরে ধীরে রক্তশূন্য হয়ে পরে পায়খানার রাস্তায় চুলকানির জন্য গুঁড়া কৃমি দায়ী

কৃমি অপুষ্টি- কৃমির কারণে শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হয় কৃমি অন্ত্রে রক্তপাত ঘটিয়ে একদিকে শিশুকে রক্তশূন্য করে আবার অন্ত্রে পুষ্টি উপাদানের পরিপাক শোষণে বাধার সৃষ্টি করে ডায়েরিয়া ঘটায়

এভাবে দীর্ঘ মেয়াদী সংক্রমণের ফলে শিশুর খাদ্যে অরুচি হয় এবং সে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে এতে শিশুর শারীরিক মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়

চিকিৎসা- Albendazole বা Mebendazole অথবা Pyrental pamoate দিয়ে সাধারণত শিশুর কৃমির চিকিৎসা করা হয় আমাদের দেশে বছরে দুই বার জাতীয় টীকা দিবসে পোলিও টীকার পাশাপাশি এক বছর থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের কৃমি নাশক ওষুধ (Albendazole) খাওয়ানো হয়
প্রতিরোধ

    গৃহস্থালির কাজে নিরাপদ বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে

    স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে

    খাবারের আগে বা টয়লেটের পরে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে

    শিশুদের হাতের নখ বড় রাখা যাবে না এবং দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস পরিহার করতে হবে

    সময়মতো কৃমি নাশক ওষুধ গ্রহণ করতে হবে

    মানুষের অপরিশোধিত মল জমির সার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না