Showing posts with label বিউটি টিপস. Show all posts
Showing posts with label বিউটি টিপস. Show all posts

Friday, June 17, 2016

ছোলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন


https://secrethealthcarebd.blogspot.com/
ছোলার চমকপ্রদ কিছু গুণাগুণ-
  • যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে: যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। শ্বাসনালিতে জমে থাকা পুরোনো কাশি বা কফ ভালো হওয়ার জন্য কাজ করে শুকনা ছোলা ভাজা। ছোলা বা বুটের শাকও শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই ছোলায় ও ছোলার শাকে। ডায়াটারি ফাইবার খাবারে অবস্থিত পাতলা আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাই শুধু রমজান মাস নয়, ১২ মাসেই ছোলা হোক আপনার সঙ্গী।
  • ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।
  • রক্ত চলাচল: অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।
  • ক্যান্সার রোধে: কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়।আর তা্ই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্হ থাকুন।
  • রমজানে: রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম।
এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ কমায় মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা। সালফার নামক খাদ্য উপাদানের বসতিও এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

পুদিনা পাতার গুণাবলী

 

Friday, June 10, 2016

রোজায় মুখের দুর্গন্ধ কিভাবে দূর করবেন?



রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে আমাদের মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এটি সবার জন্যই একটি বড় সমস্যা। ভোররাতে দাঁত ব্রাশ করে ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করেও মুখের গন্ধ দূর হয় না। মুখে এমন দুর্গন্ধ নিয়ে সবার সঙ্গে মেশাটাও মুশকিল। কী করবেন? জেনে নিন  মুখের দুর্গন্ধকে সুগন্ধে বদলে ফেলার কৌশল-
  • এলাচ
  • লবঙ্গ
  • দারুচিনি

এদের মধ্যে যেটি আপনার পছন্দ সেটি সেহরি খাওয়ার পরে মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চিবাতে থাকুন। দেখবেন কিছুক্ষণ পর মুখের দুর্গন্ধ একেবারেই গায়েব হয়ে যাবে। এই মসলাগুলোতে থাকে এসেনশিয়াল ওয়েল, যা প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার মুখে সুগন্ধের সৃষ্টি করে।

এলাচি
লবঙ্গ
দারুচিনি


Wednesday, June 8, 2016

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুণ

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে খোসাসহ আলু  বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে হবে। তিন চার দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। চোখের নিচের কালো দাগ দু-র হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। তবে সাবধান রান্না ঘরের শিলপাটা দিয়ে বাঁটতে হলে দেখে নিন আগে মরিচ বাটা হয়েছে কি না !!! রাত জাগা বন্ধ করুন। 


ভিডিও দেখুন: 







হাত পায়ের কালো দাগদূরীকরণের সহজ সমাধান

হাত পায়ের কালো দাগ দূরীকরণে-

লেবুর রসঃ হাত পায়ের আঙ্গুলের কালো দাগ দূর করে টানটান করতে লেবুর রসের তুলনা হয় না। এক্ষেত্রে বাইরে থেকে এসে প্রথমে হাত পা ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর একটা লেবু কেটে তা খোসা সহ রস ভালোভাবে হাত পায়ের আঙ্গুলে ভালো ভাবে ঘষে নিন। এবার এভাবে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে দিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে
নিন। একটা লেবু চিপে নিয়ে এর সাথে এক চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এবার এটা হাত পায়ের আঙ্গুলের ভাঁজে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে নিন। এটি আপনার হাত পায়ের জন্য
ন্যাচারাল স্ক্রাব হিসেবে কাজ করবে। অর্ধেক লেবুর রসের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন।
এবার এই পেস্ট কালো ছোপ ও আঙ্গুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৩০ মিনিট পর কুসুম গরম
পানিতে ধুয়ে নিন। এটা আপনার হাত পায়ের পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

চালের গুঁড়া ও তরমুজের রসঃ কয়েক টুকরা তরমুজ ব্লেন্ড করে এর সাথে ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এবার গোসল করার ১৫ মিনিট পূর্বে এটি হাত পায়ে লাগিয়ে নিন। এর পর হাত দিয়ে আলতো করে ঘষে ঘষে তুলে
নিন।
পেঁপে ও বেসনের পেস্টঃ একটা পাকা পেঁপে ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে এর সাথে ২ চামচ বেসন
মিশিয়ে নিন। যেহেতু হাত ও পায়ের চামড়া ত্বকের তুলনায় বেশি শক্ত হয় তাই এটা লাগিয়ে তুলে ফেলার সময়
ভালো ভাবে ঘষে ঘষে তুলতে হবে। এবার গোসলের আগে তুলে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে হাত পা ধুয়ে নিন।

হলুদ গুঁড়াঃ দাগ দূর করতে হলুদের বিকল্প নেই। প্রথমে এক চামচ হলুদ গুঁড়ার সাথে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেষ্ট করে নিন। এবার এটি হাত পায়ের আঙ্গুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৩০ মিনিট পর লেবুর রস দিয়ে ঘষে তুলে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে হাত পা ধুয়ে নিন। এটি আপনার হাত পায়ের কালো দাগ দূর করার
সাথে সাথে ত্বককে আরো টানটান করে।
এলোভেরা জেলোঃ একটা এলোভেরা কেটে জেলো বের করে নিন। এবার এটা হাত পায়ের আঙ্গুল ও আক্রান্ত জায়গায়
লাগিয়ে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করে হাত পা ধুয়ে নিন। এতে করে হাত পা অনেক টানটান ও
মসৃণ হবে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।




ব্রণ দূর করতে সাত খাবার


ত্বকের সমস্যাগুলোর অন্যতম হল ব্রণ। এটি এমন একটি সমস্যা যা ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দেয়। শুধু তাই নয় ব্রণের কালো দাগ সহজে ত্বক থেকে দূরও হতে চায় না। ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। কিন্তু তাও মুক্তি মেলে না পুরোপুরি। রূপচর্চার পাশাপাশি ব্রণের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বিশেষ কিছু খাবারও সাহায্য করে। ব্রণ প্রতিরোধ করে এমন কিছু খাবার হল-
লাল আঙ্গুর : লাল আঙ্গুরে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। এটা
ত্বকের যে কোনো অ্যালার্জি রোধ করতেও বেশ উপকারি।
রসুন : হার্ট সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে রসুনের গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। রসুন কিন্তু ব্রণ প্রতিরোধেও
সাহায্য করে। রসুনে এলিসিন নামক উপাদান রয়েছে যা দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের সমস্যাও দূর করে।
বাদাম: বাদামে ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্রণ হওয়ার রোধ করতেও সাহায্য করে। বাদাম বিশেষ করে কাজুবাদাম ইউভি রশ্মি
থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
মাছ: ব্রণ প্রতিরোধ করে এমন খাবারগুলোর মধ্যে মাছ অন্যতম। মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ এবং
ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
ব্রকোলি: নিখুঁত ত্বক পেতে ব্রকোলির জুড়ি মেলা ভার। এতে ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং ভিটামিন কে আছে। যা ত্বকের
উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি: দুধ চায়ের বদলে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করুন। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ব্রণ হওয়া প্রতিরোধ করে।

পানি : আর সব কথার শেষ কথা পানি। এ সকল খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করাটাও জরুরি।

Sunday, June 5, 2016

চুইংগাম তুলার জাদুকরি উপায়

অনেকেই চুইংগাম চিবোতে ভালোবাসেন। তবে চুইংগামের গাম যদি কাপড় বা চুলে লেগে যায়, তাহলেই বিপত্তি। মহা সমস্যা ভাবছেন? এসব জিনিস তুলতে গিয়ে কাপড় ছিঁড়ে বা চুল কেটে ফেলার চেয়ে সহজ সমাধান আছে। যাতে চুইংগাম উঠে আসবে, কিন্তু কাপড় বা চুলের কোনো ক্ষতি হবে না। অনেকটা লাঠি না ভেঙে সাপ মারার মতো। তাহলে কী সেই উপায়? হোম রিমেডি হ্যাকস ও ইউটিউব ঘেঁটে তেমনই কিছু পরামর্শ জানানো হলো।

১. কাপড়টা যদি জিনস হয়, তাহলে ফ্রিজ থেকে বরফের টুকরো বের করে একটা পলিব্যাগে মুড়িয়ে নিন। এরপর জিনসের যেখানে চুইংগাম লেগেছে, তার ওপরে বরফের টুকরো ঘষতে থাকুন। দেখবেন সহজেই চুইংগাম উঠে আসছে। এরপরও যদি খানিকটা লেগে থাকে, তাহলে একটা ছুরি দিয়ে কাপড়ে আড়াআড়ি কয়েকটা টান দিন সেটুকুও উঠে আসবে।
 
২. চুইংগাম যদি উল-জাতীয় কাপড়ে লেগে থাকে, তাহলে কাপড়টা ভাঁজ করে নিন। এরপর একটা পলিথিনের ব্যাগে ভরে ফ্রিজের ডিপ চেম্বারে রাখুন। কিছু সময় পর বের করে একটা বরফের কিউব দিয়ে ঘষে নিন। চুইংগাম উঠে আসবে। কাপড়ের তখনো যদি কিছুটা লেগে থাকে, তাহলে একটা ব্রাশ দিয়ে ঘষা দিন, উঠে যাবে।
 
৩. চুইংগাম যদি চুলে জড়ায়? সমাধান আছে সে ক্ষেত্রেও। প্রথমত, চুলের যে অংশে চুইংগাম লেগেছে, সেই চুল ছাড়া বাকি চুলগুলো আলাদা করে রাবার দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন। এতে বাকি চুলগুলো সুরক্ষিত থাকবে। এবার যে চুলে চুইংগাম লেগেছে, সেখানে একটু তেল দিয়ে ভিজিয়ে নিন। তেলের ক্ষেত্রে ভেজিটেবল অয়েল, অলিভ অয়েল, পাম অয়েল বা সূর্যমুখী তেল হতে পারে। এরপর একটা বেশি চওড়া দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ালে সহজেই চুইংগাম উঠে আসবে। আঁচড়ানোর পর একটা তোয়ালে দিয়ে চুলগুলো মুছে নিন।
 
৪. কার্পেটে চুইংগাম লাগলে অনেকে সেখানে কাঁটাচামচ দিয়েই তুলতে চেষ্টা করেন। তার চেয়ে ভালো, কার্পেটের যে জায়গা চুইংগাম লেগেছে, সেখানে খানিকটা ভিনেগার গরম করে ঢেলে দিন। তারপর ব্রাশ দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন।

Tuesday, May 31, 2016

নারীর তারুণ্য ধরে রাখে যে পাঁচ খাবার






কাজের চাপ, খাবার দাবারে অসচেতনতা আর নিজের প্রতি যত্নের অভাবে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যান অধিকাংশ নারী। ত্বকের সৌন্দর্য, দেহের গড়ন সবই নষ্ট হতে বসে অকালে। প্রজননগত কারণে নারীর শরীরে বাড়তি কিছু সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়।

তাই অল্পদিনেই বয়সের ছাপ পড়ে আরও অনেক বেশি। এসব এড়িয়ে দীর্ঘদিন সৌন্দর্য ধরে রাখতে চাই প্রয়োজনীয় পুষ্টির সুষম যোগান। কিছু কিছু খাবার রয়েছে যা নারীর তারুণ্য ধরে রাখার জন্য খুবই উপকারী। জেনে নেয়া যাক তেমনি পাঁচ খাবার সম্পর্কে।
শাক-সবজি

বেশি করে শাক-সবজি খাওয়া দেহের জন্য খুবই ভালো। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাক, শিম, ব্রোকলি, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি-এসব থাকতে পারে খাদ্য তালিকায়।

উচ্চ পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং ফলিক এসিডের উৎস। রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ চার মিনারেল- ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যেন এই খাবারগুলো থাকে।
গম

গমে রয়েছে ৯৬ শতাংশ আঁশ, প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ভিটামিন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গমের রুটি, গমের পাস্তার মধ্যে উচ্চমাত্রার পুষ্টি রয়েছে। খাদ্যতালিকায় তাই এই খাবার রাখতে পারেন। নারীর দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে এ ধরনের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বাদাম

বাদামকে খাবারের তালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে। এটি প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি-এর ভালো উৎস, যা হৃদরোগ ও ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে।

এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার ক্যালরি, তবে এর চর্বি হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো। বিকেলের নাশতা হিসেবেও বাদাম খাওয়া যেতে পারে। তবে বেশি খাবেন না। সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০টি কাঠবাদাম, ওয়ালনাট বা চিনাবাদামই যথেষ্ট।
দই

ননিবিহীন দই ভিটামিন, প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উন্নতমানের উৎস। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করে। সপ্তাহে তিন থেকে চার কাপ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে দইটি খাচ্ছেন তার মধ্যে কোনো চিনি নেই।
বেরি-জাতীয় ফল

বেরি-জাতীয় ফল যেমন ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, জামে আছে উচ্চ পরিমাণে আঁশ আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কেবলমাত্র বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিকেই কমাবে না, স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও কাজ করে। ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টের তুলনা হয় না।