Friday, June 3, 2016

রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করুন



হে ঈমানদারগণ!!!
তোমাদের উপর রোযাকে ফরয করা হয়েছে! যেমনি ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের উপর, যাতে করে তোমরা তাকওয়া [খোদাভীতি] অর্জন করতে পারো।
সূরা বাকারা : ১৮৩
http://secrethealthcarebd.blogspot.com/


কোরআন পড়ুন কোরআন বুঝুন আল-কোরআনের সমাজ গড়ুন।
সুদ, ঘুষ, মদ, জুয়া, ও দুর্নীতি থেকে বিরত থাকুন।
দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখুন।
সিনেমা টেলিভিশন অশ্লীল ছায়াছবি প্রদর্শন বন্ধ রাখুন।
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখুন।

তাই, আসুন আমরা রমজানের প্রবিত্রতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হই।

মাহে রমযান শান্তির ডাক
লোভ হিংসা দূরে থাক
সেহরী খেয়ে রাখো রোজা
রোজা রাখা অতি সোজা।

ইফতার দিয়ে ভাঙ্গো রোজা
কমাও তোমার পাপের বোঝা
নামাজ পড় জিকির করো
কোরআন পড়ে জীবন গড়।

খোদার কাছে চাও মাফ
মনের ময়লা করো সাফ
সবাইকে রোজা রাখতে বলো 
কোরআন হাদিস মতে চলো।

Thursday, June 2, 2016

আনারসের স্বাস্থ্য উপকারিতা

আনারস
বাইরে অসুবিধাজনক ভিতরে মিষ্টিজাতীয় এক চমকার ফল হল আনারস। আনারসের পুষ্টি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। সান ডিয়েগো ভিত্তিক পুষ্টিবিজ্ঞানী লরা ফুল বলেন, “আনারসে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে এতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইবার ব্রমেলাইন রয়েছে। এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা হল-
. ইমিউন সিস্টেমকে সমর্থন করে:
এফডিএ এর মতে, আমাদের শরীরের দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি এর প্রায় অর্ধেক আনারসে বিদ্যামান রয়েছে। ওরেগন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের লিনাস পলিং ইনস্টিটিউট অনুযায়ী, ভিটামিন সি তে যে জল-দ্রবণীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, তা কোষের ক্ষতি মুক্ত করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি হৃদরোগ যুগ্ম ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে
. হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে:
আনারস আপনাকে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। লিনাস পলিং ইনস্টিটিউট অনুযায়ী, প্রতিদিনের প্রস্তাবিত প্রয়োজনের ৭৫ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ আনারসে রয়েছে। শক্তিশালী হাড় এবং যোজক কলা উন্নয়নে ম্যাঙ্গানিজ এর ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৯৪ সালের এক সমীক্ষায় পাওয়া গেছে। অন্যান্য খনিজ পদার্থের সাথে ম্যাঙ্গানিজ যুক্ত থাকলে তা মহিলাদের অস্টিওপরোসিস রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে
. চোখের স্বাস্থ্যে:
ফ্লোরেস বলেছেন, “আনারস মাকুলার পতনের ঝুঁকি কমায়। মাকুলার চোখের এক ধরণের রোগ। আনারসের ভিটামিন সি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ এই রোগ কমাতে সাহায্য করে
. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে:
মায়ো ক্লিনিক অনুযায়ী,অন্যান্য অনেক ফলমূল শাকসবজির মত আনারসেও রয়েছে ফাইবার। যা আপনার অন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু, অন্যান্য ফল শাকসবজির তুলনায় আনারস পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্রমিলাইন সরবরাহ করে। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি এর মতে, ব্রমিলাইন হল এক প্রকার এনজাইম যা প্রোটিন ভেঙ্গে হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে
. বিষণ্ণতা দূর করতে:
ফ্লোরেস বলেছেন, “মূল থেকে নিষ্কাশিত হওয়া একটি জটিল পদার্থ যা ব্রমিলাইন নামে পরিচিত, তা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং টিউমার এর বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে আরও বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া গেছে, আনারস অস্টিওআর্থারাইটিস চিকিত্সায় সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে
অতিরিক্ত প্রদাহ প্রায়ই ক্যান্সারের সাথে সম্পর্কিত থাকে। মেমরিয়াল স্লয়ান ক্যাটেরিং সেন্টারের মতে, ব্রমিলাইন অন্যান্য প্রোটিওলাইটিক এনজাইম বিভিন্ন টিউমার হতে পশুদের রক্ষা করেছে। এতে পশুদের বেঁচে থাকার হাড় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, এর ফলে মানবজাতির কোন সাহায্য হবে কিনা তা এখনো প্রমাণিত হয় নি।
এই গরমে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই আনারস অন্তর্ভুক্ত করুন। আর এর সুফল ভোগ করুন।সূত্র: লাইভ সাইন্স

Wednesday, June 1, 2016

কোন ওয়াক্তে কত রাকাত নামায বিদ্যমান

muslim-man-praying-secrethealthcarebd
 প্রতিদিন একজন মুসলমানকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হয়। প্রথম ওয়াক্ত হল “ফজর নামাজ” সুবহে সাদিক হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত। এরপর “যোহর ওয়াক্ত” বেলা দ্বিপ্রহর হতে “আছর ওয়াক্ত”-এর আগ পর্যন্ত। তৃতীয় ওয়াক্ত “আছর ওয়াক্ত” যা সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত পড়া যায়। চতুর্থ ওয়াক্ত হচ্ছে “মাগরীব” যা সূর্যাস্তের ঠিক পর পরই আরম্ভ হয় এবং এর ব্যপ্তিকাল প্রায় ৩০-৪৫ মিনিট। “মাগরীব ওয়াক্ত” এর প্রায় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট পর আরম্ভ হয় “এশা ওয়াক্ত” এবং এর ব্যপ্তি প্রায় “সুবেহ সাদিক”-এর আগ পর্যন্ত।
উপরোক্ত ৫ টি ফরজ নামাজ ছাড়াও এশা নামাজের পরে বিতর নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি সুন্নত নামাজ ও মুসলমানরা আদায় করে থাকে।
কোন ওয়াক্ত-এর নামাজ কয় রাকাত তা দেয়া হল :
১. ফযর = সুন্নাত ২, ফরজ ২(রাকাত)
২. যোহর = সুন্নাত ৪, ফরজ ৪, সুন্নাত ২, নফল ২(রাকাত)
৩. আসর = সুন্নাত ৪, ফরজ ৪(রাকাত)
৪. মাগরিব = ফরজ ৩, সুন্নাত ২, নফল ২(রাকাত)
৫. এশা = সুন্নাত ৪, ফরজ ৪, সুন্নাত ২, নফল ২, বিতির ৩(রাকাত)
বিঃ দ্রঃ নফল সম্পূর্ণ নিজের উপর আপনি চাইলে বেশি পড়তে পারেন। তবে ফজর এবং আসরের সময় কোন নফল নামায পড়বেন না।

Tuesday, May 31, 2016

অতি সহজে বাড়িয়ে নিন নিজের উচ্চতা




বাড়াতে চাই উচ্চতা, হতে চাই লম্বা কিন্তু চাইলেই কি আর লম্বা হওয়া যায় তার জন্য করতে হয় কত সাধনা না খেয়ে বসে থাকতে হবে বা নিতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ কি ভয় পেয়ে গেলেন শুরুতেই না এমন কিছুই করতে হবেনা আপনাকে

উচ্চতা বাড়াতে শুধু দরকার নিম্নোক্ত সাতটি ব্যায়াম অভ্যাস করার সঠিক নিয়মে পালন করতে পারলে আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে অনেকাংশেই তবে ঠিকভাবে করতে না পারলে ফল হবেনা কোনভাবেই

এই ব্যায়ামগুল করার আগে হাল্কা একটু পরিশ্রম করে নিতে ভুলবেন না যেন এতে ব্যায়াম করতে গিয়ে হঠাত ব্যাথা পেয়ে বিপদ ঘটার সম্ভাবনা কমে আসবে
এবার আসুন জেনে নেই এই ব্যায়ামগুলো সম্পর্কে-

. প্রথম ব্যায়ামঃ
দেয়ালের সাথে পিঠ লাগিয়ে দাঁড়ান এভাবে দাড়িয়ে নিজেকে দেয়ালের সমান্তরালে সোজা রাখবার চেষ্টা করুন সেই সাথে চেষ্টা করতে হবে, আপনার শরীরের পেছন দিকটির পায়ের গোড়ালি থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত যেন দেয়াল স্পর্শ করতে পারে এভাবে দেয়াল স্পর্শ করে সোজা হয়ে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন এভারে থেকে ১০ বার করুন ব্যায়ামটি

. দ্বিতীয় ব্যায়ামঃ
প্রথম ব্যায়াম শেষ হবার পরে এই পর্যায়ে রিং বা বারের সাহায্যে হাতের ভরে ঝুলে পড়ুন শরীররের ভার ছেড়ে দিন পা দুটিকে দুলতে দিন পেন্ডুলামের মত অনুভব করুন মধ্যাকর্ষণ শক্তি নিজের উপরে

এভাবে ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত ঝুলে থেকে ছেড়ে দিন নিজেকে আবার একই প্রক্রিয়ায় করুন এই ব্যায়াম এক সেটে থেকে ১০ বার করতে পারেন

. তৃতীয় ব্যায়ামঃ
এবার আবার রিং ধরুন তবে এবার ঝুলে থাকতে হবেনা বরং রিং ধরে নিজেকে উপরে উঠানোর চেষ্টা করুন এভাবে একবার উপরে উঠতে পারলে তারপর নিজের শরীরের ভার ছেড়ে দিন ছেড়ে দিয়ে প্রায় মিনিট পর্যন্ত ঝুলে থাকুন

এভাবে এই ব্যায়ামটি সেটে শেষ করুন মনে রাখবেন শুরুতেই মিনিট ধরে ঝুলবেন না আপনার শরীর যে পরিমাণ নিতে পারবে সে পরিমাণ করবেন ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে মিনিট করুন

. চতুর্থ ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে এসে শুধুমাত্র রিং বা বার ধরে মিনিট করে ঝুলে থাকুন এভাবে বার করুন

. পঞ্চম ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে এসে ব্যায়ামটি একটু কঠিন মনে হবে এবার আপনাকে রিঙে বা বারে উল্টা হয়ে পায়ের হাঁটুর ভাজের সাহায্যে ঝুলতে হবে উল্টা হয়ে ঝুলে নিজের শরীর ছেড়ে দিন হাত দুটিকে ঝুলতে দিন

এভাবে থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন গোনা শেষ হলে নেমে পড়ুন এই পর্যায়টি সম্পন্ন করতে কারো সাহায্য নিন ধীরে ধীরে করার চেষ্টা করুন

একবারে না পারলে জোর খাটাবেন না নিজের প্রতি ধীরে ধীরে শেখার চেষ্টা করুন তারপরও আয়ত্তে আনতে না পারলে এই ব্যায়ামটির সব থেকে কাছাকাছি যতটুকু করতে পারবেন তাই করবেন তাতে কিছুটা হলেও সাহায্য হতে পারে

. ষষ্ঠ ব্যায়ামঃ
আপনি যদি এই পর্যায়ে এসে পড়েন তবে আপনার জন্য সুখবর হল, সব থেকে কঠিন পর্যায় পার করে এসেছেন আপনি এরপরে আর রিং বা বারে ঝুলতে হবেনা আপনাকে এবার যা করতে হবে তা হল আপনি যেখানে দাড়িয়ে আছেন সেখান থেকে আপনার বাম দিকে দীর্ঘ একটি লাফ দিন প্রথমে

সেই সাথে চেষ্টা করুন ডান পায়ের ভরে অবতরন করতে অর্থাৎ লাফ দিয়ে নামার সময় ডান পা আগে মাটি স্পর্শ করবে লাফ দেয়ার সময় চেষ্টা করবেন যত দীর্ঘ সম্ভব তত দীর্ঘ লাফ দিতে

. সপ্তম ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে আমরা আমাদের ব্যায়াম রুটিনের শেষ ধাপে পৌঁছে গেছি এই পর্যায়ে আপনি আপনার পেটের ভরে মাটিতে শুয়ে পড়ুন আপনার শরীর এবং পা থাকবে সোজা এবং টানটান

হাতদুটোকে তুলে দিন আপনার পেছন দিকে এবং টানটান অবস্থায় রাখুন এবার এই অবস্থায় থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব বাঁকা করে তুলে ধতে চেষ্টা করুন আপনার মাথা এবং ঘাড় থাকবে সামনের দিকে সোজা অবস্থায় এভাবে থেকে ১০ বার চেষ্টা করুন
মনে রাখবেন

এভাবে সপ্তাহে দিন করে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন এগুলো মূলত স্ট্রেচিং ব্যায়াম যা আপনার শরীরের আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে শরীরের আড়ষ্টভাব কেটে গেলে উচ্চতা বাড়তে শুরু করে

তবে সবই সম্ভব হবে যদি আপনার বয়স ২৫ এর নিম্নে হয়ে থাকে তবেই কারণ ২৫ বছর পর্যন্তই কেবলমাত্র আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি হয়ে থাকে তবে যখনই ব্যায়াম করবেন না কেন আগে কিছু ফ্রি হ্যান্ড বা হাল্কা দৌড়ে শরীর ব্যায়াম করার উপযোগী করে নিতে ভুলবেন না যেন

সেই সাথে আরও খেয়াল রাখবেন যে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয় মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম করলে দ্রুত উচ্চতা বাড়বে তা যদি ভেবে থাকেন তবে ভুল করবেন বরং অতিরিক্ত ব্যায়াম অনেক সময় উচ্চতার বৃদ্ধি রোধ করে দেয়

তবে শুধু ব্যায়াম করলেই হবেনা সুষম খাদ্যও গ্রহন করতে হবে সেই সাথে জীবনযাত্রায় আনতে হবে পজিটিভ মনোভাব এসবের সাথে ত্যাগ করতে হবে সব খারাপ জী