Friday, June 10, 2016

অ্যাপেন্ডিসাইটিস কি? অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগ এর লক্ষণ ও চিকিৎসা

http://secrethealthcarebd.blogspot.com/
অ্যাপেন্ডিসাইটিস: মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু থলের নাম অ্যাপেন্ডিক্স। লম্বায় এটি ২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। থাকে তলপেটের ডান দিকে। এর সঠিক কাজ যে কী, তা এখনো অস্পষ্ট। কিন্তু এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা। এর নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস। প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো পেট ব্যথা। এই ব্যথা সাধারণ পেট ব্যথার তুলনায় বেশ আলাদা। এটা শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় শল্যচিকিৎসা নিতে হয়।অনেক সময় এ ব্যথাকে আমল না দিয়ে নানা রকম ব্যথানাশক বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। এতে পরবর্তী সময়ে রোগীর শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।

কেমন এই ব্যথা
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে বা নাভির একটু ওপর থেকে শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তলপেটের ডান দিকের অংশে ব্যথাটা স্থায়ী হয়। থেমে থেমে ব্যথা ওঠে সেটা তীব্র ও হালকা—দুই রকমেরই হতে পারে। এ ছাড়া বমি বমি ভাব বা দু-একবার বমি হতে পারে। সঙ্গে হালকা জ্বরও থাকতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে রোগী হাসপাতালে আসতে বাধ্য হয়। তবে হালকা ব্যথা হলেও সতর্ক হতে হবে। কেননা, পরবর্তী সময়ে রোগীর অ্যাপেন্ডিক্সের চারদিকে বিভিন্ন উপাদান জমা হয়ে পেটে একটি চাকা বা ফোঁড়া তৈরি হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে খাদ্যনালির ভেতরের বিভিন্ন উপাদান, পরিপাক হয়ে যাওয়া খাবারের অংশ ও মল বেরিয়ে পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পেটের ভেতরে, এমনকি রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে গুরুতর সংক্রমণ। এ ধরনের ঘটনায় রোগীর জীবনের আশঙ্কাও দেখা দেয়।

চিকিৎসা
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা হলো আক্রান্ত অংশ বা অ্যাপেন্ডিক্স যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলে দেওয়া। অস্ত্রোপচারের ভয়ে অনেকে হাসপাতালে যেতে চান না। অনেক সময় শিশু বা বেশি বয়স্করা ব্যথার সঠিক বর্ণনাও দিতে পারে না। কিন্তু জটিলতা এড়াতে পেটে ব্যথা তীব্র ও স্থায়ী অথবা থেকে থেকে হলে রোগীকে শক্ত খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন বা মুখে খাবার দেওয়া বন্ধ রাখুন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

তথ্য সূত্র : ইন্টারনেট


নাকের পলিপ হওয়ার কারণ ও চিকিৎসা

http://secrethealthcarebd.blogspot.com/
নাকের পলিপ অতি পরিচিত একটি সমস্যা। কিন্তু নাক বন্ধ থাকা মানেই নাকে পলিপ আছে—এ ধারণা ঠিক নয়। অনেক সময় নাক বন্ধ অবস্থায় এর মধ্যে পিণ্ডাকৃতির কিছু দেখলেই অনেকে তা পলিপ বলে মনে করেন। নাকের পলিপ অনেকটা পিণ্ডাকৃতিরই হয়ে থাকে, তবে সব ধরনের পিণ্ডই কিন্তু পলিপ নয়। পলিপের রং কখনো মাংসপিণ্ডের মতো লাল হয় না। পলিপ আঙুরের দানার মতো গোলাকার ও ফ্যাকাশে রঙের হয়ে থাকে।

পলিপ দুই ধরণের হয়ে থাকে। যেমন:
ইথময়ডাল পলিপ: এলার্জির কারণে হয়, দুই নাকে হয় এবং মধ্যম বয়সে দেখা যায়।
এন্ট্রোকোয়ানাল পলিপ: ইনফেকশনের কারণে হয়, এক নাকে হয় এবং শিশু বা কিশোর বয়সে দেখা যায়।

নাকে পলিপ হওয়ার কারণ
পলিপ কেন হয় তার সঠিক কারণ এখনো অজানা। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যালার্জিজনিত কিংবা দীর্ঘমেয়াদি নাক ও সাইনাসের প্রদাহই এর প্রধান কারণ। এক-তৃতীয়াংশ রোগীর ক্ষেত্রে সঙ্গে হাঁপানিও থাকে। দুই শতাংশ ক্ষেত্রে ঋতু পরিবর্তনজনিত অ্যালার্জি দায়ী।

কীভাবে বুঝবেন নাকে পলিপ হয়েছে
নাকে পলিপ থাকলে ঘন ঘন যে সমস্যাগুলো দেখা দিতে থাকে তা হলো: নাক বন্ধ থাকা—এক বা দুই নাসারন্ধ্র একসঙ্গে বন্ধ থাকতে পারে। নাক দিয়ে পানি পড়া, বেশি হাঁচি পাওয়া, নাকে কোনো গন্ধ না পাওয়া, মাথাব্যথা থাকা, নাকিসুরে কথা বলা, মুখ হা করে ঘুমানো ইত্যাদি। এই সমস্যাগুলো বারবার হলে একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞকে দিয়ে ভালো করে নাক পরীক্ষা করে নিলেই বিষয়টি ধরা পড়বে।

নাকে পলিপ হলে যে সমস্যা দেখা দিতে পারে!
  •     নাক বন্ধ থাকা- এক বা দুই  নাসারন্ধ্র একসঙ্গে বন্ধ থাকতে পারে
  •     নাক দিয়ে পানি পড়া
  •     বেশি হাঁচি পাওয়া
  •     নাকে কোনো গন্ধ  না পাওয়া
  •     মাথাব্যথা থাকা
  •     নাকিসুরে কথা বলা
  •     মুখ হা করে ঘুমানো

চিকিৎসা
নাকের পলিপের চিকিৎসা হলো অপারেশন। অপারেশন করলে সাধারণত নাকের পলিপ ভালো হয়ে যায়। তবে এই পলিপ বার বার হতে পারে এবং প্রয়োজনবোধে কয়েকবার অপারেশন করা লাগতে  পারে। এলার্জি থেকে দূরে থাকলে এই রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব। বিনা অস্ত্রোপচারে পলিপের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব নয়। তবে অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধের মাধ্যমে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণের ফলে পলিপের ফোলা ভাব কিছুটা কমে আসতে পারে। এ ছাড়া পলিপের চিকিৎসায় প্রাথমিক অবস্থায় স্টেরয়েড জাতীয় স্প্রে নাকে ব্যবহার করা হয়, এতেও পলিপের আকার ছোট হয়ে আসতে পারে। আধুনিক পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারে নিরাময়ের হার বেশ ভালো।

কোথায় চিকিৎসা করাবেন?
  •     জেলা সদর হাসপাতাল
  •     মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  •     বেসরকারী হাসপাতাল

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

আরো পড়ুন: ব্রণ দূর করতে সাত খাবার

SmartPhone দিয়ে Income করুন



আজকে আপনাদের জানাবো কিভাবে SmartPhone দিয়ে আয় করবেন। শুধু একটি Software download  করে Account খুলুন। Software টি হলো ChampCash এই Software download করে একটি Account খুলুন। আর একাউন্ট খুলতে একটি Refer ID লাগবে। (Refer ID দিন 4175782) Refer ID টা দিয়ে একাউন্ট Active করুন। এরপর আপনি একটি Refer ID পাবেন। এই Refer ID দিয়ে আপনি আর একজন কে Account খুলে দিবেন। এইভাবে আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। টাকা আসবে আপনার Refer ID কয়জন Use করছে তার উপর। না বুঝলে যোগাযোগ করুনঃ ০১৮৫১৯২৮১১১


রমযানে অযু গোসলের নিয়ম



অযু:
১। তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা।
২। তিনবার কুলি করা।(গড়গড়া করবে না)
৩। তিনবার নাকে পানি দিবে হাড় বরাবর।
৪। মুখমন্ডল তিনবার ধৌত করবে।
৫। তিনবার প্রথমে ডান হাত পরে বাম হাত কুনুই পর্যন্ত ধৌত করবে।
৬। মাথা ৪ভাগের ১ভাগ মাসেহ করা ফরয।(পুরা মাথা মাসেহ করা মুস্তাহাব)
৭। তিনবার পা গোড়ালি পর্যন্ত প্রথমে ডান পা পরে বাম পা ধৌত করা।
গোসল:
১। তিনবার কুলি করা।(গড়গড়া করবে না)
২। তিনবার নাকের হাড় পর্যন্ত পানি দেয়া।
৩। সমস্ত শরীর ধৌত করা।


ফরয গোসল

কোন নর-নারী যখন সহবাস করে বা স্বপ্নদোষ হয় তখন ফরয গোসল আদায় করতে হয়।
ফরয গোসলের নিয়ম:
১। তিনবার কুলি করা।
২। তিনবার নাকে পানি দেয়া।
৩। সমস্ত শরীর ধৌত করা।





কোন ওয়াক্তে কত রাকাত নামায বিদ্যমান

নামায সম্পর্কিত কয়েকটি দরকারী মাস'আলাহ

১। ফরয এবং বিতরের নামায বসে পডলে যায়েজ হবেনা।
২। কোন কারনে দাড়াতে সক্ষম না হলে বসে পডবে।
৩। সুন্নত ও নফল বসে পড়া যায় কিন্তু অর্ধেক সাওয়াব। দাড়িয়ে পড়লে বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়।



Thursday, June 9, 2016

সদকাতুল ফিতরের পরিমাণ



ফিতরার পরিমান জনপ্রতি আধা-ছা অর্থাৎ ৮০ তোলার সেরের একসের সাড়ে ১২ ছটাক গম কিংবা আটা।
ধান-চাউল, টাকা-পয়সা ইত্যাদি মাধ্যমে ও ফিতরা আদায় করা যায় তবে নির্ধারিত গম-আটার যে মূল্য হবে সেই পরিমাণ টাকা-পয়সা বা সেই পরিমান মূল্যের ধান-চাউল ইত্যাদি দিতে হবে।