Thursday, June 9, 2016

সদকাতুল ফিতর



রমযান মাসে আল্লাহর যাবতীয় হুকুম-আহকাম পালনে সক্ষম হলে এবং ঐ সকল দায়িত্ব পালনে কোন রকম ভূল ত্রুটি হলে তার ক্ষতিপূরণকল্পে মুসলমানগণ ঈদের দিন ঈদের নামাযের পূর্বে যে দান-সদকা করেন তাকে সদকাতুল ফিতর বলে। এই সদকা গরীব-দুঃখীদের ঈদের খুশীতে শরীক হতে সাহায্য করে।


এ'তেকাফ



রমাযান মাসের ২০ তারিখের পর সূর্যাস্তের পূর্ব হতে আরম্ভ করে রমযানের শেষ দিন পর্যন্ত পুরুষদের পক্ষে মসজিদে এবং মহিলাদের পক্ষে নিজগৃহে ইবাদত কক্ষে পাক-পবিত্র অবস্থায় কেবল ইবাদতের উদ্দেশ্যে নির্জনে বাস করাকে এ'তেকাফ বলে। এটি সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ আ‌'লাল কিফা'য়াহ। পাড়ার মধ্যে যেকোন একজন এ'তেকাফ করলেই সকলে এর দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাবে। কেউ না করলে সুন্নাত তরক(বাদ) দেওয়ার কারনে গোনাহগার হবে। এ'তেকাফ পালনে অনেক সাওয়াব। এ অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত, আল্লাহর যিকির করবে চুপচাপ বসে থাকবেনা। আর বিনাপ্রয়োজনে কারো সাথে কথা বলা, এবং ৪৫মিঃ এর বেশি বাহিরে অবস্থান করা যাবে না।
এ'তেকাফ ৩ধরনের
১। সম্পূর্ণ রমযান মাস এ'তেকাফ থাকা।
২। শেষ ১০দিন থাকা।
৩। শেষ ৩দিন থাকা।(অপারগ অবস্থায়)



যে যে দিন রোযা রাখা হারাম 

Wednesday, June 8, 2016

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুণ

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে খোসাসহ আলু  বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে হবে। তিন চার দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। চোখের নিচের কালো দাগ দু-র হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। তবে সাবধান রান্না ঘরের শিলপাটা দিয়ে বাঁটতে হলে দেখে নিন আগে মরিচ বাটা হয়েছে কি না !!! রাত জাগা বন্ধ করুন। 


ভিডিও দেখুন: 







হাত পায়ের কালো দাগদূরীকরণের সহজ সমাধান

হাত পায়ের কালো দাগ দূরীকরণে-

লেবুর রসঃ হাত পায়ের আঙ্গুলের কালো দাগ দূর করে টানটান করতে লেবুর রসের তুলনা হয় না। এক্ষেত্রে বাইরে থেকে এসে প্রথমে হাত পা ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর একটা লেবু কেটে তা খোসা সহ রস ভালোভাবে হাত পায়ের আঙ্গুলে ভালো ভাবে ঘষে নিন। এবার এভাবে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে দিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে
নিন। একটা লেবু চিপে নিয়ে এর সাথে এক চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এবার এটা হাত পায়ের আঙ্গুলের ভাঁজে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে নিন। এটি আপনার হাত পায়ের জন্য
ন্যাচারাল স্ক্রাব হিসেবে কাজ করবে। অর্ধেক লেবুর রসের সাথে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন।
এবার এই পেস্ট কালো ছোপ ও আঙ্গুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৩০ মিনিট পর কুসুম গরম
পানিতে ধুয়ে নিন। এটা আপনার হাত পায়ের পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।

চালের গুঁড়া ও তরমুজের রসঃ কয়েক টুকরা তরমুজ ব্লেন্ড করে এর সাথে ১ টেবিল চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এবার গোসল করার ১৫ মিনিট পূর্বে এটি হাত পায়ে লাগিয়ে নিন। এর পর হাত দিয়ে আলতো করে ঘষে ঘষে তুলে
নিন।
পেঁপে ও বেসনের পেস্টঃ একটা পাকা পেঁপে ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে এর সাথে ২ চামচ বেসন
মিশিয়ে নিন। যেহেতু হাত ও পায়ের চামড়া ত্বকের তুলনায় বেশি শক্ত হয় তাই এটা লাগিয়ে তুলে ফেলার সময়
ভালো ভাবে ঘষে ঘষে তুলতে হবে। এবার গোসলের আগে তুলে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে হাত পা ধুয়ে নিন।

হলুদ গুঁড়াঃ দাগ দূর করতে হলুদের বিকল্প নেই। প্রথমে এক চামচ হলুদ গুঁড়ার সাথে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেষ্ট করে নিন। এবার এটি হাত পায়ের আঙ্গুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৩০ মিনিট পর লেবুর রস দিয়ে ঘষে তুলে নিয়ে ঠান্ডা পানিতে হাত পা ধুয়ে নিন। এটি আপনার হাত পায়ের কালো দাগ দূর করার
সাথে সাথে ত্বককে আরো টানটান করে।
এলোভেরা জেলোঃ একটা এলোভেরা কেটে জেলো বের করে নিন। এবার এটা হাত পায়ের আঙ্গুল ও আক্রান্ত জায়গায়
লাগিয়ে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করে হাত পা ধুয়ে নিন। এতে করে হাত পা অনেক টানটান ও
মসৃণ হবে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।




ব্রণ দূর করতে সাত খাবার


ত্বকের সমস্যাগুলোর অন্যতম হল ব্রণ। এটি এমন একটি সমস্যা যা ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দেয়। শুধু তাই নয় ব্রণের কালো দাগ সহজে ত্বক থেকে দূরও হতে চায় না। ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। কিন্তু তাও মুক্তি মেলে না পুরোপুরি। রূপচর্চার পাশাপাশি ব্রণের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বিশেষ কিছু খাবারও সাহায্য করে। ব্রণ প্রতিরোধ করে এমন কিছু খাবার হল-
লাল আঙ্গুর : লাল আঙ্গুরে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। এটা
ত্বকের যে কোনো অ্যালার্জি রোধ করতেও বেশ উপকারি।
রসুন : হার্ট সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে রসুনের গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। রসুন কিন্তু ব্রণ প্রতিরোধেও
সাহায্য করে। রসুনে এলিসিন নামক উপাদান রয়েছে যা দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের সমস্যাও দূর করে।
বাদাম: বাদামে ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা ত্বক সুস্থ রাখার পাশাপাশি ব্রণ হওয়ার রোধ করতেও সাহায্য করে। বাদাম বিশেষ করে কাজুবাদাম ইউভি রশ্মি
থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
মাছ: ব্রণ প্রতিরোধ করে এমন খাবারগুলোর মধ্যে মাছ অন্যতম। মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ এবং
ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
ব্রকোলি: নিখুঁত ত্বক পেতে ব্রকোলির জুড়ি মেলা ভার। এতে ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং ভিটামিন কে আছে। যা ত্বকের
উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি: দুধ চায়ের বদলে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করুন। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ব্রণ হওয়া প্রতিরোধ করে।

পানি : আর সব কথার শেষ কথা পানি। এ সকল খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করাটাও জরুরি।

কী খেলে চুল পাকবে না?

http://secrethealthcarebd.blogspot.com/2016/06/blog-post_5.html
চুল কি শুধু  বয়সের কারণেই পাকে? না, চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যাওয়ার অন্তরালে রয়েছে আরও অনেক কারণ। অনেককেই দেখবেন অল্প বয়সেই চুল ধূসর হয়ে গিয়েছে, আবার অনেকের বয়স হওয়া সত্ত্বেও চুলে পাক ধরেনি।  এর পেছনে জিনগত কারণ তো আছেই, আবার আছে লাইফ স্টাইল ও খাবারের ভূমিকাও।
আসুন জেনে নেওয়া যাক, এমন কিছু খাবারের কথা, যেগুলো চুল পাকার গতিতে করবে মন্থর, অকালে চুল পাকতে দেবে না এবং ধরে রাখবে আপনার যৌবন। 

১) বেরি জাতীয় ফল নানান রকম বেরি জাতীয় ফলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও Anti Oxidant দেশি হোক বা বিদেশি, খাদ্য তালিকায় রাখুন প্রতিদিন বেরি জাতীয় ফল। এই দুটি উপাদানই স্বাস্থ্যকর ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত জরুরী। এরা কোলাজেনের পাদন বাড়ায় ও অতিরিক্ত Free Radical নিস্ক্রিয় করার মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীর করে তথা আপনার যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করে।

২) সবুজ শাজসব্জি সকলেই জানেন যে সবুজ শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, Anti Oxidant ও ডায়েটারি ফাইবার। একই সাথে আছে ভিটামিন বি, যা মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। চুলের যে কোন সমস্যা প্রতিরোধ করে ভিটামিন বি। হ্যাঁ, চুল সাদা হয়ে যাওয়াকেও।

৩) ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ মাছে অবশ্যই উচ্চ মাত্রার প্রোটিন আছে যা আপনার হাড়, চুল, ত্বক সবকিছুর জন্যই জরুরী। এছাড়াও সামুদ্রিক মাছগুলোতে আছে উচ্চ মাত্রার Omega 3 Fatty Acid ও সেলেনিয়াম, যা শরীরে পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। সাথে Anti Oxidant তো আছেই।

৪) চকলেট চিনি বিহীন কিংবা স্বল্প চিনিযুক্ত চকলেটে আছে প্রচুর পরিমাণে কপার যা মেলানিন তৈরিতে সহায়ক। এই মেলানিনই আমাদের চুলের রঙ কালো করার ভূমিকা পালন করে। সারাদিনে একটুখানি চকলেট খেলে কোনও ক্ষতি নেই ।
কাঠবাদাম চকলেটের মত কাঠবাদামেও আছে প্রচুর কপার যা মেলানিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। এছাড়া আছে প্রচুর ভিটামিন ই যা সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য খুবই জরুরি।




তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট। 

Monday, June 6, 2016

যে যে দিন রোযা রাখা হারাম

১। ঈদুল ফিতরের দিন।

২। ঈদুল আযহার দিন।

৩। যিলহজ্জ মাসের ১১,১২,১৩ তারিখ।