Monday, June 6, 2016

যে সব কারনে রোযা ভঙ্গ করা জায়েয



১। সফরে গেলে(৩দিন কমে ৪৫কিঃমিঃ)।
২। রোগাক্রান্ত ব্যক্তির রোগ বৃদ্ধির আশংকা থাকলে।
৩। গর্ভবতী মহিলার গর্ভ নষ্ট বা দুগ্ধাভাবে শিশুর ক্ষতির আশংকা হলে।
৪। বৃদ্ধ ব্যক্তি অত্যান্ত দূর্বল হলে। 
কিন্তু পরে কাযা করতে হবে।

রোযা মাকরূহ হওয়ার কারন




১। অন্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করলে।
২। মিথ্যা বা অশ্লীল কথা বললে।
৩। ইফতার না করলে।
৪। কোন বস্তু চিবাইলে।
৫। গড়গড়া করে কুলি করলে।
৬। ঠান্ডা গ্রহনের উদ্দেশ্যে বারবার গোসল করলে।

যে সব কারনে রোযা নষ্ট হয় না



১। ভূলে পানাহার বা স্ত্রী সহবাস করলে।
২। স্বপ্নদোষ হলে।
৩। থুথু বা কফ গিলে খেয়ে ফেললে।
৪। ফরয গোসলের পূর্বে ফজর হয়ে গেলে।
৫। শরীরে তৈল মালিশ এবং সুরমা ব্যবহার করলে।

রোযার কাযা ও কাফফারাহ



কাযা: প্রতিঠি রোযার বদলে একদিন রোযা রাখা।
কাফফারাহ: ১। প্রতিটি রোযার জন্য একাধারে ২মাস রোযা রাখা।
           ২। এতে অক্ষম হলে ৬০জন মিসকীন দু'বেলা তৃপ্তির সাথে খাওয়ানো।
       
  ৩। এতেও অক্ষম হলে ১জন গোলামকে মুক্ত করা।

রোযার সময় সূচী


যে খাবারগুলো ফ্রিজে রাখা উচিত নয়!


যে খাবারগুলো আজ থেকে আর ফ্রিজে রাখবেন না -
টমেটো: টমেটো ফ্রিজে রাখলে তা শক্ত হয়ে যায় ও স্বাদ চলে যায়। তবে টমোটো পাকাতে চাইলে কাগজে মুড়িয়ে তা ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।

আলু: আলু ফ্রিজে রাখা মানেই এর স্বাদ বদল হয়ে যাবে। তাই শুকনো জায়গায় আলু রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ বহুদিন ভালো রাখতে চাইলে পেপারের ব্যাগে ভালো করে মুড়িয়ে রাখলেই তা তাজা থাকে। তার জন্য ফ্রিজের কোনো প্রয়োজন নেই।

জ্যাম: জ্যাম অনেক সময়ে আমরা জ্যাম বা জেলিকে ফ্রিজে রাখি। তবে তা করলে এর মধ্যে থাকা প্রিজারভেটিবস দানা বেঁধে যায়। তাই এটি ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।

আচার: আচারকে ফ্রিজে না রেখে জানলার পাশে যেখানে সূর্যের আলো পড়ে সেখানে রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

পাউরুটি: ফ্রিজে রাখলে পাউরুটির মধ্যে থাকা ভিজে ভাব শুকিয়ে যায়। তাই তা কখনো করা উচিত নয়।

কফি: কফির প্যাকেট বা কৌটো ফ্রিজে রাখলে তা জমে গিয়ে স্বাদ চলে যায় ও গন্ধ বদলে যায়।


রসুন: ফ্রিজে রাখলেই স্বাদ ও গন্ধ চলে যায় রসুনের। একইসঙ্গে তা তাড়াতাড়ি পঁচেও যায়।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

মুখের দুর্গন্ধ
মুখের দুর্গন্ধ ব্যাপারটি বেশ লজ্জাজনক বিধায় অনেকেই এটা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে থাকেন। দুবার ব্রাশ করা, ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা এবং মাউথওয়াস করেও অনেকের মুখে রয়ে যায় দুর্গন্ধ। মুখের দুর্গন্ধের সব চাইতে বড় কারণ হচ্ছে মুখের ভেতরটা শুকিয়ে যাওয়া এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

কেন মুখে দুর্গন্ধ হয়?
১. প্রতিবার খাবার গ্রহণে মুখের ভেতরে খাদ্য আবরণ দাঁতের ফাঁকে, মাড়ির ভেতর জমে দন্তমল সৃষ্টি হয়। পরে তা থেকে মাড়ির প্রদাহ দেখা দেয়।
২. মুখের যেকোনো ধরনের ঘা বা ক্ষত।
৩. আঁকাবাঁকা দাঁত থাকার কারণে খাদ্যকণা ও জীবাণুর অবস্থান।
৪. মুখের ভেতরে ছত্রাক ও ফাঙ্গাস।
৫. মুখের ক্যানসার।
৬. ডেন্টাল সিস্ট বা টিউমার।
এ ছাড়া দেহের অন্যান্য রোগের কারণেও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে, যেমন: পেপটিক আলসার বা পরিপাকতন্ত্রের রোগ, লিভারের রোগ, গর্ভাবস্থা, কিডনির জটিলতা, বাতজনিত রোগ, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র, উচ্চ রক্তচাপ, গলা বা পাকস্থলীর ক্যানসার, এইডস, হূদেরাগ, মানসিক রোগ, নাক, কান, গলার রোগ ইত্যাদি।

যেগুলি খাবারগুলো নিমেষেই মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে-


পানি : মুখে দুর্গন্ধ হলেই আগে পানি খান। দেখবেন দুর্গন্ধ উধাও হয়ে যাবে। খাওয়ার পর খুব ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন। অল্প অল্প পানি নিয়ে মুখে কুলি করে ফেলে দেবেন। এরপর একগ্লাস পানি খান। 

আপেলআপেল খেলেও মুখের দুর্গন্ধ চলে যায়। আমরা যখন আপেল খাই, তখন মুখের মধ্যে প্রচুর লালা উপন্ন হয়। তাতে ব্যাকটেরিয়া লালার সঙ্গে পরিষ্কার হয়ে যায়। তাতে মুখের মধ্যে তৈরি হওয়া গন্ধ দূর হয়ে যায়।

এলাচএই উপায়টা হয়তো অনেকেরই জানা। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দারুণ সহায়ক। যদি আপনার মুখের দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা থাকে, তাহলে ব্যাগে বা পকেটে কয়েকটি এলাচ রাখতে পারেন। মুখের দুর্গন্ধ হয়েছে বলে মনে হলেই এলাচ দানা মুখে পুরে দিন।

লেবু :   ভিটামিন সি মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধবংস করে দেয়। আর লেবু বা কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। তাই মুখে দুর্গন্ধ অনুভূত হলেই লেবু বা কমলালেবু খেতে পারেন।

গ্রিন টি:  এমনিতেই গ্রিন-টি স্বাস্থ্যে পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রচুর পরিমানে ফ্ল্যাবনয়েড থাকে। এই ফ্ল্যাবনয়েড আসলে মুখের মধ্যেকার ব্যাকটেরিয়াকে বিনাস করে। তাই চটজলদি মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যায়।

চুইংগাম :  নানান ফ্লেভারের চুইংগাম এখন দোকানে পাওয়া যায়। তবে চিনিমুক্ত চুইংগামই মুখের দুর্গন্ধ আটকাতে পারে। চুইংগাম চিবিয়ে নিলে মুখের মধ্যে লালা নিঃসৃত হয়। তাতে মুকের মধ্যেকার উপন্ন ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার হয়ে যায়।